রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
ফরিদপুর প্রতিনিধি::
করোনা ভাইরাসের হাত থেকে সুরক্ষা জন্য ফরিদপুর জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের পার্সোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট (পিপিই) বিতরণ করেছেন এলজিআরডি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি। একই সাথে তিনি ঢাকায় এন টিভির সকল সংবাদ কর্মীবৃন্দের জন্য পিপিই দেন।
সোমবার দুপুরে ফরিদপুর শহরের বদরপুরে অবস্থিত আফসানা মঞ্জিলে নিজ বাসভবনে তিনি ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের হাতে ১০০ পিপিই ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার তুলে দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ইমতিয়াজ হাসান রুবেল, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এইচ এম ফোয়াদ, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চক্রবর্তী শংকর।
ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি বলেন, করোনা ভাইরাস এখন একটি বৈশ্বিক দুর্যোগ। এখনো আমাদের দেশে এই ভাইরাস অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আছে। এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে শুধু সরকার একার পক্ষে সম্ভব নয়, দরকার সকলের সহযোগীতা ।আমরা সকলেই সচেতন হলেই এই দুর্যোগের হাত থেকে কাটিয়ে উঠতে পারবো। সাংবাদিকরা সব পরিস্থিতে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে। এজন্য এই পরিস্থিতিতে তাদের সুরক্ষা জরুরী। তাই সাংবাদিকদের সুরক্ষা ব্যবস্থা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
এসময় কোরনা পরিস্থিতিতে প্রান্তিক জনগণের কথা বিবেচনায় ফরিদপুরের ৩০ হাজার মানুষের মাঝে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বিতরণের ঘোষণা দেন, যা সাধারণ মানুষের ঘরে পৌছে দেয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া আজ একই সাথে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের প্রিন্ট ও ইলেকট্্রনিক্স মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিক ও গত শুক্রবার ২৭ মার্চ চিকিৎসকদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা ইকুপমেন্ট (পিপিই) হস্তান্তর করা হয়েছে। আরো সামনের দিনে এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
তিনি ফরিদপুরের সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য বলেন, বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের এই সময়ে সকলকেই বাস্তব চিত্র জানা ও সর্বশেষ তথ্য সম্মন্ধে অবহিত থাকা দরকার। সাংবাদিকগণ এই তথ্য সরবরাহে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাদের সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে।
তিনি বলেন, উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সারাবিশে^র নেতৃবৃন্দ উদ্বিগ্ন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুরু থেকেই খুবই সচেষ্ট রয়েছেন। এই ভাইরাসটি আমাদের দেশেই নয়, বিশে^ও নতুন। এর কোন প্রতিষেধক এখনও তৈরি হয়নি। এখন সতর্কতা ও সচেতনতাই আমাদের প্রধান প্রতিষেধক।
কেউ যেনো টাকার অভাবে না খেয়ে মারা না যায়। সেদিকে সকলকেই খেয়াল রাখা দরকার। সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এব্যাপারে সচেষ্ট রয়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন সাতটি বিভাগের সাথে ফরিদপুরেও যাতে করোনা ভাইরাসের টেষ্ট করা যায় সেই কিট খুব দ্রুত সময়ে এনে ফরিদপুরেও টেষ্ট শুরু করা হবে।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি চৌধুরী বরকত ইবনে সালাম, জেলা যুবলীগের আহবায়ক এইচ এম ফুয়াদ, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ ইমতিয়াজ হাসান রুবেল সহ ফরিদপুর প্রেসক্লাবের প্রিন্ট ও ইলেকট্্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা।